ভৌগলিক পরিচিতি

গাইবান্ধা জেলার ভৌগলিক বিবরন
১৮৯৭ সালের ১২ ই জুন বিকেল ৫.১৫
মিনিটে স্থায়ী ভুমিকম্প বাংলা, বিহার ও
আসামে ব্যাপক ক্ষতি করে। এর
ফলে শষ্যাদি কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি,
পাতকুয়া, রাস্তাঘাট, সড়কসেতু, রেলপথ
বিধ্বস্ত হয়
আবাদী জমি বালুচরে রুপান্তরিত হয়। এই
ভূমিকম্পের ফলে ভূমির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
এর ফলে ছোট ছোট শাখা নদী খালের
তলদেশ উত্থিত হওয়ায় এন্ডলির গতি হ্রাস
পায়। এর ফলে ছোট ছোট শাখা নদী খালের
তলদেশ উত্থিত হওয়ায় এগুলির গতি হ্রাস
পায় বা অনেক ক্ষেত্রে গতি পথ পরিবর্তন
হয়েছিল। সারাই ও মানস নদীসুন্দরগঞ্জ ও
গাইবান্ধা উপজেলায়, আখিরা ও
নলেয়া খাল পলাশবাড়ি উপজেলায়
এবং জেলার ঘাঘট নদীর গতি প্রবাহ হ্রাস
পায় এবং এই উজেলার পানি নিস্কাশন
ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক বিল উচু
হয়ে আবাদী জমিতে পরিণত হয়,আবার
অনেক উচু ও আগাছাপূর্ণ জমি বিল কুড়ায়
(গভীর খাদ) পরিণত হয়েছে। উল্লেখিত
সময়ে পীরগঞ্জের বড়বিলা থেকে সৃষ্ট
নলেয়া খাল গতিপ্রাপ্ত হয়েছিল। এই
ভুমিকম্পের প্রভাবে সাবেক রংপুর জেলার
গাইবান্ধা মহুকূমায়, অপেক্ষাকৃত
বেশী পরিবর্তন হয়েছিল। ১৮৯৭ সালের এই
প্রাকৃতিক দুর্যোগের
ভয়াবহতা সম্পর্কে এতদঅঞ্চলে একটি ছাড়া প্রচলিত
রয়েছে।
তেরশ চার সালের
একত্রিশে জ্যৈষ্ঠ্য শনিবার
দুনিয়া মাঝে হইল মাঝার।
(সংগ্রহ: হাজী আফাজ উদ্দিন
হক্কানী ব্রীজ রোড)
১৯২০ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত ৬৮
বছরে এই অঞ্চলে ৪৬৪ বার ভূ-কম্পন হয়েছে,
রিখটার ঙ্কেলে এসবের তীব্রতা ছিল ৫
থেকে ৮ ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s